1. nakhokan12@gmail.com : admin :
শনিবার, ২৫ জুন ২০২২, ০৮:০৯ অপরাহ্ন

দুর্গাপুরে জমে উঠেছে খেজুর গুড়ের বাজার

  • মঙ্গলবার, ৭ ডিসেম্বর, ২০২১
  • ৫০

জিএম কিবরিয়া :

রাজশাহী দুর্গাপুর উপজেলার বিভিন্ন বাজারে জমে উঠেছে খেজুর গুড়ের বেচাকেনা। বিভিন্ন প্রকারের গুড় উঠেছে সেইসব বাজারে দর কিছুটা কম থাকলেও সময়ের সাথে সাথে বৃদ্ধি পাবে এমনটিই আশা করছেন বিক্রেতারা।

দুর্গাপুর উপজেলা বরাবরই মাছের জন্য দেশ বিখ্যাত, সাথে আমেরও সুনাম কম নেই। বাড়তি এখন সুনাম যোগ করছে এ অঞ্চলের খেজুর গুড়।

উপজেলা জুড়ে ছোট বড়ো মোট চারটি হাট রয়েছে, দুর্গাপুর,হাট কানপাড়া,আমগাছী ও আলীপুর সপ্তাহের দুটি দিন এখানে হাট লাগে। এর মাঝে সর্ববৃহৎ দুর্গাপুর ও কাট পাড়া।

কৃষিনির্ভর এই উপজেলার মিস্টি খেজুর গুড়ের সুনাম দেশের গন্ডি পেড়িয়ে বিদেশেও ছড়িয়ে পড়েছে দেশের চাহিদা মিটিয়ে বিদেশেও রপ্তানি হচ্ছে। দুর্গাপুর বাজার ঘুরে জানাযায়,
লালী-গুড় ৭৫ থেকে সর্বচ্চ ৮৫ টাকা ও বাটাল গুড় ৮০ থেকে সর্বচ্চ ১১০ টাকা দরে পাইকারি বিক্রি হচ্ছে। শীতের মৌসুমে খেজুর গাছ থেকে মিস্টি রস সংগ্রহের পর অতি-যত্নের সাথে প্রক্রিয়াজাত করে তৈরি করা হয় খেজুর গুড়। এর মধ্যে লালী গুড়, বা বাটাল গুড় উল্লেখযোগ্য। উপজেলায় প্রায় ৩৬,৫৫২ খেজুর গাছ রয়েছে। এ থেকে বছরে প্রায় ৯৭৬ টন গুড় উৎপাদন করা হয়। প্রতি মৌসুমে ৬ কোটি টাকার অর্থনৈতিক লেনদেন হয় যা এখানকার অর্থনীতিতে যথেষ্ট ভুমিকা রাখে।

শীতকালে এসব গাছ হয়ে ওঠে গাছিদের কর্মসংস্থানের উৎস। একজন গাছি প্রতিদিন ৫০ থেকে ৫৫টি খেজুর গাছের রস আহরণ করতে পারেন। বর্তমানে রস সংগ্রহে উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় কয়েক হাজার গাছির ব্যস্ত সময় কাটছে। প্রতি মৌসুমে খেজুর গাছের ওপর নির্ভরশীল হয়ে জীবিকা নির্বাহ করেন তারা। একেকজন কৃষক গাছের সংখ্যা অনুপাতে গাছি নিয়োগ করেন। তারা মৌসুম জুড়ে রস সংগ্রহ ও গুড় উৎপাদনের কাজে নিয়োজিত থাকেন।

উপজেলার সিংগা গ্রামের গাছি জব্বার আলী  জানায়, আমার নিজের গাছ কোনো গাছ নেই। মানুষের গাছ থেকে রস সংগ্রহ করি। একদিনের রস মালিকে দেই আরে-কদিনের রস আমি নেই। প্রতিদিন ৪৫ টি গাছের রস সংগ্রহ করি। গুড় তৈরি করেই আমার সংসার চালাই। শীলের মৌসুমে বছরের ইনকামের অনেকটাই আসে।

দুর্গাপুর বাজারের পাইকারী গুড় ক্রেতা কাশেম জানায়, আমি গুড় ঢাকায় পাঠাই এই অঞ্চলের গুড় খুবই ভালো মানের হওয়ার কারণে ব্যাপক চাহিদা রয়েছে। বাজারদর ভালো হওয়ার কারণে আমার উভয়ে লাভবান হচ্ছি।

উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা রাজিয়া সুলতানা জানান, এ অঞ্চলের খেজুর গুড়ের মান খুবই ভালো। সেই কারণেই দেশজুড়ে ব্যাপক চাহিদা রয়েছে। রশ সংরক্ষণ ও সঠিক ভাবে প্রক্রিয়াজাত করতে পারলে আরও উৎপাদন বৃদ্ধি করা যাবে।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরও পড়ুন
হিলিনিউজ২৪ তথ্য মন্ত্রনালয়ে নিবন্ধনের জন্য আবেদন প্রক্রিয়া সর্ম্পূণ করেছে ।

প্রযুক্তি সহায়তায় Procharbd.xyz